ইরানে ইসরাইলি আগ্রাসনে মুসলিম বিশ্বের নীরবতায় মালয়েশিয়ার নিন্দা - dainikdristy

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

LANGUAGE

Select Language / ভাষা নির্বাচন করুন

Post ad

Sunday, June 15, 2025

ইরানে ইসরাইলি আগ্রাসনে মুসলিম বিশ্বের নীরবতায় মালয়েশিয়ার নিন্দা

 ইরানে ইসরাইলি আগ্রাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর নীরবতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মালয়েশিয়া।


পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন-তেহরান আলোচনার মধ্যে বিনা উসকানিতে গত শুক্রবার (১৩ জুন) ইরানজুড়ে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে ইসরাইল। শনিবার (১৪ জুন) ইরানজুড়ে দ্বিতীয় দিনের মতো বেসামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোতে বোমা হামলা চালায় ইসরাইল। 


 

ইসরাইলের হামলায় ইরানের সামরিক বাহিনীর বেশ কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডার ও পরমাণু বিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন। ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, গত দুই দিনে ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ৮০ জন নিহত এবং ৮০০ জন আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ২০ জনই শিশু। 

 

তবে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ইরানে ইসরাইলের হামলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কার্যত নীরব। চুপ মুসলিম বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ। ইসরাইলের হামলার জবাবে একাই লড়াই করছে ইরান। গত শুক্রবার থেকে ইসরাইলে কয়েক দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এসব হামলায় অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। 

 

ইরানে ইসরাইলের বিমান হামলা নিয়ে রোববার (১৫ জুন) এক বক্তৃতায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘ইসরাইল ইরানে আক্রমণ করেছে। তারা নির্বিচারে বিজ্ঞানী ও সামরিক কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করে হত্যা করেছে। বিশ্বে এক বিলিয়নেরও বেশি মুসলিম রয়েছে। অনেক মুসলিম দেশ অত্যন্ত ধনী। তবুও খুব কম দেশই ইরানের পক্ষে কথা বলছে।’ 

 

আনোয়ার আরও বলেন, ‘মালয়েশিয়া একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন দেশ হিসেবে কেবল দেশের মধ্যেই নয়, বিশ্বের নিপীড়িত জাতিগুলোর সাথে সংহতি প্রকাশ করে ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানোর সাহস রাখতে হবে। এই কারণেই আমি আমার মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের বলেছি, মালয়েশিয়াকে তার নিজস্ব সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। আমরা একটি সার্বভৌম দেশ এবং আমাদের বন্ধুদের অধিকার রক্ষা করতে হবে, যার মধ্যে ইরানও রয়েছে, যারা দীর্ঘকাল ধরে নিপীড়িত।’

 

দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মুখেও ইরানের টিকে থাকার সক্ষমতার প্রশংসা করে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, প্রধান বৈশ্বিক প্রযুক্তি সংস্থাগুলো ইরানকে বাদ দিলেও দেশটি শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাতে তাদের প্রতিশ্রুতি বজায় রেখেছে।

 

 

‘যদিও গুগল ও মাইক্রোসফটের মতো সংস্থাগুলো আমাদের দেশে উপস্থিত, তারা ইরানে অনুমোদিত নয়। তবুও ইরান তার যুবকদের শিক্ষিত করতে, এআই খাতকে বিকশিত করতে এবং প্রচণ্ড চাপের মধ্যেও তার অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে।’

 

ইউরোপীয় দেশগুলোর ভণ্ডামি তুলে ধরে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘তারা ইসরাইল আক্রমণ করলে নীরব থাকে, কিন্তু ইরান প্রতিশোধ নিলে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।’

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Pages