সামাজিক মাধ্যমে চলতি সপ্তাহে ভাইরাল হয় অধিকৃত জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ ধ্বংসের একটি এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর ভিডিও, যা নিয়ে ওঠে সমালোচনার ঝড়। বিষয়টি নিয়ে এবার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন আরব দেশ।
সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ আরব জানিয়েছে, আল-আকসা মসজিদ ধ্বংসের ভিডিওটি নিয়ে অতি-ডানপন্থি ইসরাইলি গোষ্ঠীগুলোর নিন্দা জানিয়েছে আরব দেশগুলো।
প্রতিবেদন মতে, কট্টরপন্থি বসতি স্থাপনকারীদের সমর্থক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলো থেকে পবিত্র আল-আকসা মসজিদ ধ্বংসের এআই-নির্ভর ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়।
ওই ভিডিওতে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদ ধ্বংস এবং তার জায়গায় থার্ড টেম্পল নির্মাণের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
সম্প্রতি সেই ভিডিও প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড। তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে ওই ভিডিও প্রকাশ করে বলা হয়েছে,
কট্টরপন্থি ইসরাইলি মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো “নেক্সট ইয়ার ইন জেরুজালেম, মসীহ নাও” লেখা সম্বলিত একটি এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদ ধ্বংস এবং তার জায়গায় থার্ড টেম্পল নির্মাণের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিডিওটিকে ‘অধিকৃত জেরুজালেমে খ্রিস্টান ও ইসলামিক পবিত্র স্থানগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার জন্য পদ্ধতিগত উসকানি’ বলে এর নিন্দা জানিয়েছে।
তারা বলছে,
গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতার কারণে ইসরাইলের অতি-ডানপন্থি সরকার তার সম্প্রসারণবাদী এবং বর্ণবাদী ইহুদিকরণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সাহসী হয়ে উঠেছে।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে জর্ডানও। এ ঘটনাকে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলোর ‘চরমপন্থি, বর্ণবাদী উসকানি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে দেশটি।
পরিস্থিতির ওপর গুরুত্বারোপ করে কাতার সতর্ক করে বলেছে, এই উসকানি অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে সহিংসতা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইসরাইলি দখলদার সংগঠনের সাথে যুক্ত গোষ্ঠীগুলোর পবিত্র আল-আকসা মসজিদ ধ্বংস করে তথাকথিত মন্দির স্থাপনের পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে কাতার।’

No comments:
Post a Comment